দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

আজ থেকে শুরু হয়েছে নতুন অর্থবছরের পথচলা। কার্যকর হয়েছে দেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ, ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এই বাজেট বাস্তবায়নের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ রাজস্ব আহরণ। অন্যদিকে, নীতি সুদহার ১০ শতাংশে অপরিবর্তিত থাকায় ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা, কঠোর মুদ্রানীতি বাধাগ্রস্ত করতে পারে বাজেটের প্রত্যাশিত সুফল।
৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার এ বাজেটে কর্মসংস্থান, বেসরকারি বিনিয়োগ, সামাজিক সুরক্ষা এবং অবকাঠামো উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
এদিকে নতুন অর্থবছরের বাজেটকে স্বাগত জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খানের মতে, বেসরকারি খাতের প্রবৃদ্ধি ও বিনিয়োগ বাড়াতে বাজেটে ইতিবাচক কিছু উদ্যোগ রয়েছে।
অর্থনীতিবিদরাও বাজেটকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তবে অর্থনীতিবিদ ড. মুস্তফা কে মুজেরীর মতে, এনবিআরের রাজস্ব আহরণের সক্ষমতা এখনো বড় চ্যালেঞ্জ। তাই অপ্রয়োজনীয় সরকারি ব্যয় কমানো, প্রকল্প বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার পরামর্শ দিচ্ছেন তারা।
এদিকে, নতুন অর্থবছরের প্রথমার্ধের মুদ্রানীতিতে নীতি সুদহার ১০ শতাংশে অপরিবর্তিত রেখেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ব্যবসায়ী নেতাদের মতে, ব্যবসাবান্ধব বাজেটের পূর্ণ সুফল পেতে হলে মুদ্রানীতিকেও আরও বিনিয়োগবান্ধব হতে হবে।
অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আবু আহমেদের মতে, নীতি সুদহার ১০ শতাংশ থাকলেও গ্রাহক পর্যায়ে ঋণের সুদ বেড়ে ১৪ থেকে ১৫ শতাংশে পৌঁছে যায়। এতে উৎপাদন ব্যয় বাড়ে, নতুন বিনিয়োগ নিরুৎসাহিত হয় এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি কমে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বাজেট ও মুদ্রানীতির কার্যকর সমন্বয়ই নির্ধারণ করবে নতুন অর্থবছরে দেশের অর্থনীতির গতি-প্রকৃতি।
/অ